পুলিশ ট্রাস্ট ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রোডাক্টস্ লিমিটেড
- “পুলিশ ট্রাস্ট ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রোডাক্টস লিমিটেড” বাংলাদেশ পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্টের (BPKT) একটি বাণিজ্যিক উদ্যোগ।
- প্রতিষ্ঠাকাল হয় ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ খ্রিষ্টাব্দে।
- এর উদ্দেশ্য হলো: নিয়মিত ব্যবহার্য পণ্য, নির্মাণ সামগ্রী, রেশন সামগ্রী ইত্যাদি সরবরাহের মাধ্যমে লাভ অর্জন করা এবং সেই লাভ পুলিশ সদস্য ও তাদের পরিবারদের কল্যাণ কর্মকাণ্ডে পুনরায় বিনিয়োগ করা।
- এটি BPKT-এর অধীনে কাজ করে এবং BPKT-এর মিশন ও ভিশন অনুযায়ী পরিচালিত হয়।
নিচে কিছু বিশেষ বৈশিষ্ট্য তুলে ধরা হলো:
| বৈশিষ্ট্য | ব্যাখ্যা |
| কল্যাণমুখী বাণিজ্যিক মডেল | এই প্রতিষ্ঠান একটি বাণিজ্যিক কার্যক্রম যা লাভ তো রূপায়িত করে, তবে সেই লাভ দেশের পুলিশের কল্যাণমূলক কাজে নিবৃত্ত হয়। |
| সামগ্রী সরবরাহ ও উৎপাদন দায়িত্ব | এটি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, নির্মাণ সামগ্রী ও রেশন সামগ্রী সরবরাহ ও বাজারজাত করার দায়িত্ব পালন করে। |
| সরাসরি টেন্ডার ও সরকারি ক্রয় ব্যবস্থায় অংশগ্রহণ | বিভিন্ন ইউনিটকে সরাসরি পণ্য সরবরাহ করার জন্য টেন্ডারে অংশগ্রহণ করে। |
| সুলভ মূল্য ও একই সময়ে মানসম্পন্ন পণ্য | সর্বস্তরের ভোক্তাদের মাঝে সুলভমূল্যে নিত্য ব্যবহার্য পণ্যাদি সরবরাহ করা |
| প্রতিষ্ঠানগত সমন্বয় ও BPKT-ভিত্তিক নিয়ন্ত্রণ | এটি BPKT-এর অন্যান্য উদ্যোগের (যেমন: নির্মাণ, সিকিউরিটি, ট্যুরিজম ইত্যাদি) সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করতে পারে। |
সুবিধাসমূহ (Advantages / Benefits)
এমন কিছু সম্ভাব্য সুবিধা ও প্রভাব আছে, যা সাধারণভাবে এই ধরনের কল্যাণমূলক বাণিজ্যিক উদ্যোগ থেকে আশা করা যায়। কিছু সুবিধা:
- সদস্যদের কল্যাণ বৃদ্ধির উৎস
লাভের একটি অংশ পুলিশের স্বাস্থ্য, শিক্ষাবৃত্তি, জরুরি সহায়তা ইত্যাদিতে বিনিয়োগ করা হয়। - সরবরাহ ব্যবস্থায় নির্ভরতা বৃদ্ধি
পুলিশ ইউনিটগুলোর জন্য নির্ভরযোগ্য সরবরাহকারী হিসেবে কাজ করতে পারে, ফলে বাহ্যিক বাজার ও মধ্যস্থ বহিরাগত চেইনগুলোর ওপর নির্ভরতা কমে যেতে সক্ষম। - মূল্য নিয়ন্ত্রণ ও মান নিশ্চিতকরণ
নিজস্ব উদ্যোগ পরিচালনা করলে পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে দাম ও গুণমান নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হবে। - আর্থিক সংস্কার ও স্থিতিশীল আয় সৃষ্টির সুযোগ
একটি স্থায়ী আয় উৎস তৈরি হলে, BPKT ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে অর্থনৈতিক স্বচ্ছতা ও স্থিতিশীলতা অর্জন করতে সহায়তা করবে। - পরিকল্পিত বর্ধন ও সম্প্রসারণ
সফল হলে ভবিষ্যতে পণ্য পরিসর বৃদ্ধি, উৎপাদন ইউনিট স্থাপন ইত্যাদি হতে পারে, যা কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে দাগ ফেলতে পারে। - নীতি ও স্বার্থান্বেষণবিহীন পরিচালনা
যেহেতু উদ্দেশ্য মুনাফা অর্জন মাত্র নয়, একটি সামাজিক উদ্দেশ্যও রয়েছে অতএব সাধারণ বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোর তুলনায় ন্যায্যতা ও স্বচ্ছতা বজায় রাখার প্রভাব থাকতে পারে।
